হোমপেজ সারা বাংলা আগামী নির্বাচনে ফুলপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী এটিএম মনিরুল হাসান টিটু

আগামী নির্বাচনে ফুলপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী এটিএম মনিরুল হাসান টিটু

321
0

ফুলপুর ( ময়মনসিংহ) থেকে সেলিম রানা : ফুলপুর পৌরসভার আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়কও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এমএ হাকিম সরকারের সুযোগ্য সন্তান এটিএম মনিরুল হাসান টিটু সকলের দোয়া ও দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। টিটু ভাইয়ের রাজনৈতিক অবস্থানঃ ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে মাঠে নির্বাচনে অংশগ্রহণ ; নৌকার প্রার্থী শামসুল হক সাহেবকে বিজয়ী ঘোষণা না করা পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান গ্রহণ ১৯৮৭.১৯৮৮.১৯৮৯.১৯৯০,সালের, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহণ ১৯৯০সালে ফুলপুর উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন। ১৯৯১ এ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী, দলীয় প্রার্থী শামসুল হক সাহেব বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান ১৯৯২,১৯৯৩,১৯৯৪,১৯৯৫,১৯৯৬,১৯৯৭,১৯৯৮ টানা সময় পর্যন্ত ছাত্রলীগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কে সাথে নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ। প্রায় আট বছর ফুলপুর কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন। ১৯৯৫ সালের তৎকালীন বিএনপি সরকারের সাধারণ কৃষকের ন্যায্য দাবি স্যারের জন্য আন্দোলনে সামসুল হক সাহেবের সাথে মিছিলে অংশগ্রহণ করি সেই মিছিলে শামসুল হক সাহেব আমার শরীরে উনার বাম বাম হাত আমার ঘাড়ের উপর ভর করে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান সেই মিছিলে গোলাগুলির এক পর্যায়ে সেদিন ব্যাপকভাবে আহত হয়েছিলাম। নিহত হয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম মোড়ল নামে একজন কৃষক সন্তান। ১৯৯৬ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন। ১৯৯৮ সালে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বেচেলার অফ কমার্স( অনার্স) ডিগ্রি লাভ। ২০০০ সালে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এম কম পাস করেন। ২০০১ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে ফুলপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী শরীফ আহমেদের পক্ষে ব্যাপক জনমত গঠন করেন এবং নির্বাচনে আওমীলীগ দলীয় প্রার্থী বিজয়ী না হওয়া আগ পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান। ২০১৪ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে কাজিয়াকান্দা কামিল মাদ্রাসার এমপি প্রতিনিধি হিসেবে গভর্নিং কমিটির সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে ফুলপুর ডিগ্রী কলেজ এমপি প্রতিনিধি হিসেবে গভর্নিং বডির সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০১৮ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী শরীফ আহমেদ এর পক্ষে ব্যাপক জনমত গঠন এবং নির্বাচনে বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়নের দলীয় পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন। পিতার রাজনৈতিক অবস্থান। ১৯৬৮ সালে ফুলপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন।১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুর মুজিবের অসহযোগ গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ।১৯৭০ সালের জাতীয় সাধারণ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী জননেতা শামসুল হকের পক্ষে ব্যাপক জনমত গঠন এবং বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান। ১৯৭১ সরাসরি ভারত থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে পাকিস্তান শত্রুদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ। ১৯৭৪ ফুলপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ সালে ফুলপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ সালে বি,এ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড) ১৯৮২ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ সালে ফুলপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফুলপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও দলীয় সাধারণ লোকজন কে সাথে নিয়ে একক নেতৃত্ব দিয়ে মরহুম শামসুল হক সাহেবকে নির্বাচনে বিজয়ী করা। ১৯৯১ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় সমর্থন লাভ এবং তা প্রত্যাহার করে শামসুল হক সাহেবকে প্রার্থী ঘোষণা করা। ১৯৮৪ সাল থেকে টানা ৬ বার উপজেলা কমান্ডার হিসেবে বিবেচিত হন। ২০১৪ সালে ফুলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে শরিফ আহাম্মেদ এমপি(সমাজ কল্যাণ, প্রতিমন্ত্রী) আহবায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম সরকার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। ২০০১ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নির্বাচিত হন। ফুলপুর উচ্চ বিদ্যালয়, সাবেক সহ-সভাপতি, ফুল পুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও রামভদ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়, সভাপতি, ব্যবস্থাপনা কমিটি। ফুলপুর ডিগ্রী কলেজ, ফুলপুর কাজিয়াকান্দা কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চেয়ারম্যান বিআরডিপি ফুলপুর, দায়িত্ব পালন করছেন। আপনাদের কাছে অনুরোধ টিটু ভাই একজন সাধারণ মানুষ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, শিক্ষিত, দুঃসময়ের সাহসী,যিনি দীর্ঘ সময় পারিবারিকভাবে ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রেখেছে,বার বার বঞ্চিত লাঞ্ছিত হওয়ার পরেও আপনাদের সকলের সাথে সকল ধরনের মানবিক সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন, তাই মানবিক কারণে হলেও সামনে পৌরসভার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আগামী নির্বাচনে টিটু ভাইয়ের মত অতি সাধারন পরিবারের ছেলেকে আমরা সকলের সহযোগিতা করি। বর্তমান সরকার মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এর অত্যন্ত বিশ্বস্ত মানুষ একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, দল,দেশ ও সাধারণ মানুষের দুঃসময়ের কান্ডারী টিটু ভাই কে সহযোগিতা করি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে