বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

দাড়ি কেটে ছদ্মবেশে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন ধর্ষক সাইফুর

দাড়ি কেটে ছদ্মবেশে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন ধর্ষক সাইফুর

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে গ্রেফতার এড়াতে মুখের দাড়ি কেটে ছদ্মবেশ ধারণ করেন। তবুও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

রোববার ভোরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার সীমান্তবর্তী এলাকা খেয়াঘাট থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার সাইফুর রহমান লাগঞ্জের চান্দাইপাড়া গ্রামের তাহিদ মিয়ার ছেলে।

এদিকে, সাইফুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ছাতক থানা পুলিশ।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সাইফুর গ্রেফতার এড়াতে তার মুখের দাড়ি কেটে ফেলেন। তিনি সীমান্ত পথ ব্যবহার করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। গ্রেফতারের পর সাইফুর পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। প্রাথমিকভাবে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ওই স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যান দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন তারা।

এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে শনিবার সকালে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।

ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার প্রধান আসামি সাইফুর গ্রেফতার

মামলার আসামিরা হলেন- এম সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এদের মধ্যে তিনজন ওই কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া আরো তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপও উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় অপর অভিযুক্ত অর্জুনকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়। এই দুইজন বাদে বাকি অপরাধীরা শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন।


Comments are closed.

© All rights reserved © 2017 24ghontanews.com
Desing & Developed BY ThemeForest