বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন

ও’সি প্র’দীপের বি’রুদ্ধে বো’নের অ’ভিযোগ

ও’সি প্র’দীপের বি’রুদ্ধে বো’নের অ’ভিযোগ

কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বি’রুদ্ধে এবার তার বোন দু’র্নীতি দ’মন কমিশনে কোটি টাকার সম্পত্তি জবর দ’খলের অ’ভিযোগ করেছেন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুদকের চট্টগ্রাম জে’লা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, টেকনাফে সাবেক সে’না কর্মকর্তা হ’ত্যার অন্যতম আ’সামি ওসি প্রদীপের বি’রুদ্ধে তার সৎ বোন রত্নাবালা প্রজাপতি মঙ্গলবার দুদক সমন্বিত অঞ্চল, চট্টগ্রাম-১ এর কার্যালয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি জবর দ’খলের অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন।

অ’ভিযোগে বলা হয়, প্রদীপ তার ক্ষমতার অ’পব্যবহারে করে চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর মোহাম্মদপুর এলাকায় রত্নাবালার ১২ শতক জমি ও একটি চার তলা ভবন দ’খল করে নেয়। এর মধ্যে ১২ শতক জমিটি প্রদীপ তার স্ত্রী চুমকি কারনের নামে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায় কিনেছেন বলে রেজিস্ট্রি বায়না করা হয়। কিন্তু বায়না অনুযায়ী একটাকাও পাননি রত্নাবালা। অ’ভিযোগের বিবরণে রত্নাবালা বলেন, আমার বাবা ছিলেন প্রেমলাল প্রজাপতি। মা যুগলরানী প্রজাপতি। আমরা দুই বোন। বোনটি অল্প বয়সে মা’রা যায়। আমার বাবার মৃ’ত্যুর পর হরেন্দ্র লাল দাশ নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন মা। ওই সংসারে প্রদীপসহ তিন স’ন্তান রয়েছে।

উত্তরাধীকার হিসেবে বাবার ১২ শতক জমি ও চার তলা ভবনটির একমাত্র মালিক আমি। কিন্তু ২০১৪ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর প্রদীপ দাশ ওই জমি জো’রপূর্বক দ’খল করে নেন। পরবর্তীতে ভ’য়ভীতি দেখিয়ে তার স্ত্রী চুমকি কারনের নামে রেজিস্ট্রি বায়না করে নেন। এতে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায় ওই জমি বায়না করেছে বলে উল্লেখ করা হলেও তার একটি টাকাও দেননি প্রদীপ। ওই জমিতে প্রদীপ ৯টি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে প্রদীপ পৈতৃক সূত্রে পাওয়া মুরাদপুর এলাকার চার তলা ভবনটিও দ’খল করে নেন। প্রদীপ তার কু’কর্মের সহযোগী আলী আকবর নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে ওই বাড়িটি বর্তমানে দ’খলে রেখেছেন। আলী আকবর ইয়াবা মা’মলায় ৯ মাস জে’লও খেটেছেন।

রত্নাবালা বলেন, সম্পত্তি দ’খল করতে প্রদীপ আমার ছেলে বিবেক রঞ্জন চৌধুরীকে সাজানো নারী নি’র্যাতন মা’মলার আ’সামি করেছে। নিলুফা নামে টেকনাফের এক নারীকে দিয়ে এ মা’মলাটি করায়। মা’মলায় আমার ছেলেকে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমার মেয়ে বেবী চৌধুরীকেও নানা লাঞ্ছনার শি’কার হতে হয়েছে। তাদের হা’মলায় বেবী চৌধুরী আ’হত হয়ে হাসপাতালে ভর্তিও ছিল।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গু’লিতে নি’হত হন সে’নাবা’হিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বা’দী হয়ে গত ৫ অগাস্ট কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (টেকনাফ-৩) আ’দালতে নয় পুলিশ সদস্যের বি’রুদ্ধে হ’ত্যা মা’মলা করেন। এরপর থেকে আলোচিত প্রদীপের বি’রুদ্ধে একের পর এক অ’ভিযোগ উত্থাপিত হচ্ছে।


Comments are closed.

© All rights reserved © 2017 24ghontanews.com
Desing & Developed BY ThemeForest