সোমবার, ১৪ Jun ২০২১, ০৯:১০ অপরাহ্ন

চার পুলিশ সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চার পুলিশ সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রায় ৬ ঘণ্টা জবানবন্দি গ্রহণের পর বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তাদেরকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চার পুলিশ সদস্যকে আদালতে হাজির করে র‌্যাব।

সকাল ১১টার দিকে পৃথকভাবে চার পুলিশ সদস্যের জবানবন্দি রেকর্ড করেন আদালত। এরমধ্যে কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেনকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেনের আদালতে এবং কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে তামান্না ফারাহর আদালতে জবানবন্দি নেওয়া হয়।

এর আগে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলাম।

গত ২৪ আগস্ট তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ। গত ৬ সেপ্টেম্বর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় র‌্যাব।

এ মামলায় অভিযুক্ত ১৩ জনের মধ্যে এর আগে প্রধান আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ ৮ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

এর আগে পুলিশের অপর তিন সদস্য ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এএসআই নন্দদুলালকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের মধ্যে প্রদীপকে চার দফায় ১৫ দিন এবং লিয়াকত ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে তিন দফায় ১৪ দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। লিয়াকত ও নন্দদুলাল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও প্রদীপ রাজি হননি। তারা সবাই এখন কারাগারে রয়েছেন। এপিবিএনের তিন সদস্যসহ এ পর্যন্ত ১২ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


Comments are closed.

© All rights reserved © 2017 24ghontanews.com
Desing & Developed BY ThemeForest