রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

বরখাস্তকৃতের নেতৃত্বে চলছে ডাক্তার নার্স ও কর্মচারীরা রংপুর মেডিকেলের অনিয়মে কথিত প্রতিবাদে স্বীকারোক্তি

বরখাস্তকৃতের নেতৃত্বে চলছে ডাক্তার নার্স ও কর্মচারীরা রংপুর মেডিকেলের অনিয়মে কথিত প্রতিবাদে স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার
উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে দূর্নীতির কালো থাবা বিরাজমান। হাসপাতালটিতে রংপুর বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্ব-জনরা প্রতিটি পদে-পদে প্রতারিত হচ্ছেন। সরকারী এই হাসপাতালে স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রলোভিত করে নেয়া হয় নগরীর নামধারী ক্লিনিকগুলোয়। শুধু ক্লিনিকে নেয়ার ব্যবসাই নয়, এই হাসপাতালে রোগী মারা গেলে সেক্ষেত্রেও শুরু হয় লাশ নিয়ে ব্যবসা। আর এসকল দূর্নীতির বিষয়ে সহশ্রজন জ্ঞাত। এই দূর্নীতির নেতৃত্বে রয়েছেন হাসপাতালেরই তথাকথিত কমিটির বহিস্কৃত নেতারা। যারা ইতিমধ্যেই একাধিক হত্যামামলার এজাহারভুক্ত আসামী।  লিখিত অভিযোগ এবং সরেজমিন প্রতিবেদনে ওই কথিত ২ নেতার দূর্নীতি সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশ করলে। নড়েচড়ে বসে স্ব-ঘোষীত ঐ নেতারা। সম্প্রতি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একাধিক দৈনিক ও রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে কথিত নেতারা যে প্রতিবাদ লিপি ছাপিয়েছেন, তা পক্ষান্তরে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতাই প্রমাণ করেছে। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছিলো, ‘রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট শাখার কর্মচারী সমিতিরি অবৈধ সভাপতি ও সম্পাদকের ক্ষমতার দাপটে অতিষ্ঠ রোগীর স্বজন, চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী ও খোদ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা’। প্রকাশিত সংবাদে বর্ণীত ওই তথ্যকে মিথ্যা বলা হলেও প্রতিবাদকারীরাই প্রতিবাদের শেষার্ধে বলেছেন, ‘করোনাকালীণ সময়ে আমাদের নেতৃত্বে ডাক্তার নার্স, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃতরা সকলেই স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করেন’ প্রতিবেদকসহ নগরীর সুশীল সমাজের অনেকেই প্রতিবাদে বর্ণীত তথ্যে হতবাক! ৪র্থ শ্রেনীর বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামী কর্মচারীরা কি-করে ডাক্তার নার্সদের নেতৃত্ব দেয়? ডাক্তার নার্সরা তো সার্বিক যোগ্যতায় কথিত নেতাদের উপড়ের সাড়ির চাকুরীজীবি। প্রতিবাদ লিপিতে চাকুরী থেকে বহিস্কৃত কথিত ঐ নেতারা বলেন, হত্যা মামলা আদালতে বিচারাধীন, সে বিষয়ে প্রতিবাদকারী কি করে মন্তব্য করতে পারে? প্রতিবাদকারীরা হয়তো ভুলেই গেছেন, এজাহার নামীয় ্আসামীদের, আসামী বলার স্বাধীনতা যে কেউ সংরক্ষন করে। বর্তমান বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তী নিয়ে প্রতিবাদকারীদের উদ্যেগও হাস্যকর। কারণ সরকারী চাকুরী বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে বহিস্কৃত ঐ নেতাদেরই একজন সক্রীয়ভাবে বিএনপি পন্থি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। আগামী পর্বে তুলে ধরা হবে ঐ দুই নেতার অবৈধ সম্পদ আরোহণের চমকপ্রদ তথ্য। কথিত নেতাদের দ্বারা লাঞ্চিত বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও ভুক্তভোগীদের বিবরণ।


Comments are closed.

© All rights reserved © 2017 24ghontanews.com
Desing & Developed BY ThemeForest